এই সিনেমার চরিত্র অ্যান্ডার্স আসলে প্রতিটা হতাশ মানুষের প্রতিরূপ- যে সমাজে থেকেও সমাজের বাইরে, জীবিত থেকেও মৃতের মতো। কেউ কেউ বলেছেন, যদি কেউ নিজেকে ধ্বংস করতে চায়, সমাজকে হয়তো সেটাই মেনে নিতে হবে, কারণ সবকিছুই ধরে রাখা যায় না। কখনো মানুষ চেষ্টা করে, আবার থেমে যায়। কখনো তারা ভালোবাসতে চায়, কিন্তু অতীতের দাগগুলো মুছতে পারে না। তার ভেতরের সেই অন্ধকারে ঢুকে কেউ আসলে তাকে টেনে তুলতে পারে না। এই সিনেমাটা সুখ দেয় না, বরং সুখকে কেটে নেয়। আনন্দের জায়গায় এক ধরনের ফাঁকা নিস্তব্ধতা রেখে যায়। কিন্তু অদ্ভুতভাবে, সেই শূন্যতাই সিনেমার সৌন্দর্য- কারণ সেটাই সত্যি। “Oslo, August 31st” যেন একদিনের গল্প নয়, যেন একটা জীবনের সমাপ্তি—একটা ধীরে ধীরে নিভে যাওয়া প্রদীপের আলো।
এই সিনেমার চরিত্র অ্যান্ডার্স আসলে প্রতিটা হতাশ মানুষের প্রতিরূপ- যে সমাজে থেকেও সমাজের বাইরে, জীবিত থেকেও মৃতের মতো। কেউ কেউ বলেছেন, যদি কেউ নিজেকে ধ্বংস করতে চায়, সমাজকে হয়তো সেটাই মেনে নিতে হবে, কারণ সবকিছুই ধরে রাখা যায় না। কখনো মানুষ চেষ্টা করে, আবার থেমে যায়। কখনো তারা ভালোবাসতে চায়, কিন্তু অতীতের দাগগুলো মুছতে পারে না। তার ভেতরের সেই অন্ধকারে ঢুকে কেউ আসলে তাকে টেনে তুলতে পারে না। এই সিনেমাটা সুখ দেয় না, বরং সুখকে কেটে নেয়। আনন্দের জায়গায় এক ধরনের ফাঁকা নিস্তব্ধতা রেখে যায়। কিন্তু অদ্ভুতভাবে, সেই শূন্যতাই সিনেমার সৌন্দর্য- কারণ সেটাই সত্যি। “Oslo, August 31st” যেন একদিনের গল্প নয়, যেন একটা জীবনের সমাপ্তি—একটা ধীরে ধীরে নিভে যাওয়া প্রদীপের আলো।